Logo
| বঙ্গাব্দ

দীঘিনালায় পুষ্টিবাগান স্থাপন ও তামাক চাষে নিরুৎসাহিতকরণে উঠান বৈঠক

  • আপডেট টাইম : 17-02-2026 ইং
  • 80013 বার পঠিত
দীঘিনালায় পুষ্টিবাগান স্থাপন ও তামাক চাষে নিরুৎসাহিতকরণে উঠান বৈঠক
রিপোর্টারঃ জাকির হোসেন, নিজস্ব সংবাদদাতাঃ
খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলায় অনাবাদি পতিত জমি ও বসতবাড়ির আঙিনায় পারিবারিক পুষ্টিবাগান স্থাপন এবং তামাক চাষে নিরুৎসাহিত করতে এক সচেতনতামূলক উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে।


মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে উপজেলার বাচা মেরুং এলাকায় পুষ্টিবাগান চাষি ও উপকারভোগীদের উপস্থিতিতে এ উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন দীঘিনালা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা কামরুজ্জামান সুমন এবং উপসহকারী কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. শামীমমুল আবরার।


বৈঠকে কামরুজ্জামান সুমন পারিবারিক পুষ্টিবাগান স্থাপনের গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, বাড়ির আঙিনায় সবজি ও ফল চাষ করলে পরিবারের পুষ্টির চাহিদা পূরণের পাশাপাশি অতিরিক্ত উৎপাদিত ফসল বাজারে বিক্রি করে অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতা অর্জন করা সম্ভব। নিয়মিত শাকসবজি ও ফলমূল খেলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায় এবং ক্যানসারসহ বিভিন্ন জটিল রোগের ঝুঁকি কমে।


তিনি আরও বলেন, তামাক চাষ মানুষের জীবনের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। তামাক চাষ ও প্রক্রিয়াজাতকরণের সঙ্গে জড়িতদের বিভিন্ন শারীরিক জটিলতা দেখা দেয়। এছাড়া তামাক চাষের কারণে পরিবেশের ক্ষতি, গাছপালা নিধন এবং তামাক চুলার ধোঁয়ার মাধ্যমে বায়ুদূষণ বৃদ্ধি পায়। তাই তামাক চাষ পরিহার করে কৃষকদের অর্থকরী ও পুষ্টিকর ফসল উৎপাদনে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।


উঠান বৈঠক শেষে উপকার ভোগী আছিয়া বেগমের পারিবারিক পুষ্টিবাগান পরিদর্শন করা হয় এবং উপস্থিতদের পুষ্টিবাগান গড়ে তুলতে উদ্বুদ্ধ করা হয়।


পরে অংশগ্রহণকারীদের মাঝে বিভিন্ন ধরনের শাক–সবজির বীজ বিতরণ করা হয়। প্রত্যেককে দুটি করে আমড়া ও পেঁপের চারা প্রদান করা হয়। পাশাপাশি মানুষ, শিশু-কিশোর ও গর্ভবতী নারীরা যাতে নিয়ম মেনে সুষম ও পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করেন, সে লক্ষ্যে সবার মাঝে ‘পুষ্টি প্লেট’ ও পুষ্টিকর খাদ্যতালিকা সম্বলিত কার্ড বিতরণ করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ পার্বত্য পোস্ট | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায়