খাগড়াছড়ি প্রতিনিধিঃ
মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস আমাদের বীরত্ব, ত্যাগ ও আত্মপরিচয়ের চিরস্মারক। ১৯৭১ সালের এই দিনে বাঙালি জাতি দুঃসাহসিক প্রত্যয়ে স্বাধীনতার পথে যাত্রা শুরু করে। দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী সংগ্রামের পর অর্জিত হয় আমাদের কাঙ্খিত স্বাধীনতা। মহান দিবসটি যথাযোগ্য মর্যাদা, শ্রদ্ধা ও ভাবগাম্ভীর্যের সাথে পালিত হচ্ছে খাগড়াছড়িতেও।
বুধবার (২৬ মার্চ) ভোরে সূর্যদয়ের সাথে সাথে ৩১বার তোপধ্বনির মধ্য দিয়ে শ্রদ্ধাঞ্জলির আনুষ্ঠানিকতা শুরু হয়। পরে জাতীয় পতাকা উত্তোলনের পরপরেই ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান মুক্তিযুদ্ধ সংসদ, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জিরুনা ত্রিপুরা, জেলা প্রশাসক এবিএম ইফতেখারুল ইসলাম খন্দকার, পুলিশ সুপার মো. আরেফিন জুয়েলসহ বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের প্রতিনিধিরা।
প্রসঙ্গত, হাজার বছরের সংগ্রামমুখর বাঙালি জাতির সর্বশ্রেষ্ঠ অর্জন বাংলাদেশের স্বাধীনতা। আজ ২৬ মার্চ ৫৫তম মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। ১৯৭১ সালের এই দিনে হাজার বছরের পরাধীনতার শৃঙ্খল ভেঙে বাঙালি নতুন একটি জাতিরাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার যুদ্ধ করে। হানাদার পাকিস্তানীদের বিরুদ্ধে সশস্ত্র লড়াই শুরু করে এই দেশের মুক্তিকামী জনতা। ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী সেই যুদ্ধ শেষে পৃথিবীর মানচিত্রে যোগ হয় এক নাম- বাংলাদেশ। ১৯৭১ সালের ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন। সর্বশক্তি দিয়ে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে প্রতিহত করার নির্দেশ দিয়েছিলেন তিনি। চূড়ান্ত বিজয় অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়েছিলেন। তার আহ্বানে সাড়া দিয়ে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেয় এদেশের কোটি জনতা। রক্তক্ষয়ী সেই যুদ্ধে অর্জিত হয় বাংলাদেশের স্বাধীনতা।
| ফজর | ৫.৩০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪ টা বিকাল |
| মাগরিব | ৬ টা সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৩০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৪০ মিনিট দুপুর |