লোকমান হাকিম, রুমা
পাহাড়ি কৃষকদের জন্য আশার আলো হয়ে এসেছে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবিত আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতি। কৃষিকাজে সময় ও শ্রম কমিয়ে ফলন বাড়ানোর লক্ষ্যে সম্প্রতি শুরু হয়েছে যন্ত্রগুলোর এডাপটিভ ট্রায়াল, যা সরাসরি কৃষকদের অংশগ্রহণে মাঠ পর্যায়ে পরীক্ষামূলকভাবে পরিচালিত হচ্ছে।
এরই ধারাবাহিকতায় বান্দরবানের রুমায় কৃষি যন্ত্রপাতি ও লাগসই প্রযুক্তি উদ্ভাবনের মাধ্যমে ফসল ব্যবস্থাকে অধিকতর লাভজনক করা প্রকল্পের অর্থায়নে এডাপটিভ ট্রায়াল আয়োজন করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (৬ মে) সকাল ৯ টায় পলি পাড়ায় স্থানীয় কৃষকদের নিয়ে এডাপটিভ ট্রায়াল সম্বন্ধে হাতে কলমে ও ভিডিও প্রজেক্টরের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে।
প্রশিক্ষণে অংশ নেন স্থানীয় কৃষাণ-কৃষাণী, যন্ত্রচালক সহ লোকাল সার্ভিস প্রোভাইডার যারা আধুনিক কৃষি যন্ত্রপাতির ব্যবহার, রক্ষণাবেক্ষণ এবং বাস্তব মাঠ পর্যায়ে প্রয়োগ সম্পর্কে হাতে-কলমে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। এতে অংশগ্রহণকারীরা নতুন প্রযুক্তির ব্যবহার সম্পর্কে সরাসরি ধারণা লাভ করেন, যা ভবিষ্যতে তাদের উৎপাদনশীলতা ও সময় বাঁচাতে সাহায্য করবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এডাপটিভ ট্রায়াল কার্যক্রমের অংশ হিসেবে স্থানীয় কৃষকরা নিজ হাতে যন্ত্র চালিয়ে ব্যবহারিক অভিজ্ঞতা নিচ্ছেন। তারা যন্ত্রগুলোর কার্যকারিতা সম্পর্কে মতামত দিচ্ছেন, যা পরবর্তীতে যন্ত্রের উন্নয়নে সহায়ক হবে।
স্থানীয় এক কৃষক মোঃ সাগর বলেন, আমরা সাধারণত কাজ করি হাতে, এখন দেখি যন্ত্র দিয়ে অনেক সহজে কাজ করা যায়। বারির এই প্রশিক্ষনে এসে অনেক কিছু শিখলাম। ভবিষ্যতে এসব প্রযুক্তি কাজে লাগাতে চাই।
এ ব্যাপারেনবৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. রাকিব হাসান বলেন, বারি উদ্ভাবিত কৃষি যন্ত্রপাতি ও প্রযুক্তি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যে এ ধরনের অ্যাডাপটিভ ট্রায়াল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই যন্ত্রগুলোর মাধ্যমে কৃষকদের শ্রম খরচ কমবে, পাশাপাশি তারা সময় মতো জমি প্রস্তুত এবং চাষাবাদ করতে পারবে। ফলে উৎপাদন বাড়বে ও জীবনযাত্রার মান উন্নত হবে।
উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা আল হাসির গজনফর আলী গুঞ্জন বলেন, এই ধরনের এডাপটিভ ট্রায়ালের মাধ্যমে যদি উদ্ভাবিত প্রযুক্তি মাঠ পর্যায়ে গ্রহণযোগ্যতা পায়, তাহলে তা পাহাড়ি কৃষিতে এক নতুন দিগন্তের সূচনা হবে বলে মনে করি।
এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচিকে ঘিরে কৃষকদের মাঝে উৎসাহ দেখা দিয়েছে এবং অনেকেই ভবিষ্যতে যন্ত্র ব্যবহারে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন।
| ফজর | ৫.৩০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪ টা বিকাল |
| মাগরিব | ৬ টা সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৩০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৪০ মিনিট দুপুর |