খোকন বিকাশ ত্রিপুরা জ্যাক, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধিঃ খাগড়াছড়ি জেলার সীমান্তবর্তী উপজেলাগুলোতে হঠাৎ করেই বেড়ে গেছে উত্তেজনা। ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) কর্তৃক ৮১জন ভারতীয় নাগরিককে বাংলাদেশে বাধ্যতামূলক অনুপ্রবেশ করানোর অভিযোগ উঠেছে। ভারতীয় নাগরিকদের সবাই গুজরাট রাজ্যের বাসিন্দা বলে নিশ্চিত করেছে প্রশাসন।
ঘটনাটি ঘটে বুধবার ভোর থেকে শুরু করে সারা দিনে তিনটি ভিন্ন সীমান্ত পয়েন্টে। মাটিরাঙ্গা উপজেলার গুমতি ইউনিয়নের শান্তিপুর সীমান্ত, তাইন্দং সীমান্ত এবং পানছড়ি সীমান্ত মোট ৮১জন ভারতীয় নাগরিককে বাংলাদেশে পাঠানো হয়।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও নিরাপত্তা বাহিনীর সূত্রে জানা যায়, বিএসএফ কর্তৃক এই অনুপ্রবেশ কার্যক্রম ছিল পূর্ব ঘোষণা ছাড়াই বাধ্যতামূলক অনুপ্রবেশ করান। অনুপ্রবেশকারীদের মধ্যে বেশিরভাগই অসহায় শ্রমজীবী, তাদের হাতে নেই কোনো কাগজপত্র।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, হঠাৎ এতো সংখ্যক বাইরের নাগরিক এলাকায় ঢুকে পড়ায় তারা আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন। অনুপ্রবেশকারীদের কেউ কেউ রাস্তায় বসে কাঁদছিলেন, কেউ আবার খাবার ও আশ্রয়ের জন্য স্থানীয়দের কাছে সাহায্য চাচ্ছিলেন। আমরা তাদেরকে শুকনা খাবার দিয়েছি।
এ প্রসঙ্গে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)'র খেতাছড়া ৪০বিজিবি কর্মকর্তা বলেন, “আমরা এখনো তাদের সম্পর্কে ক্লিয়ার হতে পারছিনা। এছাড়াও পুরো তথ্য সংগ্রহ করতে পারেনি। সম্পূর্ণ তথ্য পেলে পরে জানিয়ে দেয়া হবে
খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসনের দায়িত্বপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক ও স্থানীয় সরকার বিভাগে উপ-পরিচালক নাজমুন আরা সুলতানা বলেন,সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী পানছড়ি সীমান্ত আর মাটিরাঙ্গা সীমান্ত থেকে ভারতীয় নাগরিকদের অনুপ্রবেশে বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বিজিবি। দ তদন্ত করছে বলে জানা গেছে। একই সঙ্গে দুই দেশের সীমান্তরক্ষী বাহিনীর মধ্যে যোগাযোগ অব্যাহত রয়েছে। অনুপ্রবেশের মধ্যে রয়েছে নারী-পুরুষ ও শিশু। অনুপ্রবেশকারীদের বিষয়ে আলোচনা করে পরবর্তীতে মানবিক সহায়তা প্রদান করা হবে।
এই ঘটনার প্রেক্ষিতে সীমান্তে আরও সতর্ক নজরদারি ও কূটনৈতিক তৎপরতা বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন ও নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা। ভবিষ্যতে এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি যেন পুনরায় না ঘটে, সে বিষয়ে সজাগ রয়েছে বলে জানান প্রশাসন।
| ফজর | ৫.৩০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪ টা বিকাল |
| মাগরিব | ৬ টা সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৩০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৪০ মিনিট দুপুর |