খোকন বিকাশ ত্রিপুরা জ্যাক, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধিঃ
পার্বত্য চট্টগ্রামের অপ্রচলিত শিক্ষাক্ষেত্রে নতুন দিগন্তের সূচনা করেছে জাবারাং কল্যাণ সমিতি।
শুক্রবার (২০ জুন) সকালে খাগড়াছড়ি জেলা সদরের মিলনপুর হোটেল গাইরিং কনফারেন্স রুমে শুরু হয় তিনদিনব্যাপী "অনানুষ্ঠানিক শিক্ষানবিস কর্মসূচি বিষয়ে মাস্টার্ড ক্রাফ পার্সনদের (এমসিপি) সক্ষমতা উন্নয়ন প্রশিক্ষণ"।
আইএলও বাংলাদেশ-এর প্রোগ্রেস প্রকল্পের সহায়তায় আয়োজিত এই প্রশিক্ষণ চলবে ২২ জুন পর্যন্ত,এবং এ প্রশিক্ষণে অংশ নিচ্ছেন ২৫জন প্রশিক্ষণার্থী।
প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা খাগড়াছড়ির পরিবেশে আয়োজিত এই কর্মশালায় অংশ নিয়েছেন জেলার মাঠপর্যায়ের বিভিন্ন গ্রেডে দক্ষ হিসেবে কর্মরত উদ্যোক্তা ও দক্ষ ব্যাক্তিগন। গ্রেডগুলোর মধ্যে রয়েছে মাসরুম চাষ, মধু চাষ, বিউটি কেয়ার, সেলাই, প্লাম্বিং, মোটরসাইকেল মেরামত, কম্পিউটার, রান্নাসহ নানান বিষয়ে।
প্রশিক্ষণের লক্ষ্য ছিল অনানুষ্ঠানিক শিক্ষানবিস কর্মসূচি বাস্তবায়নে অংশগ্রহণকারীদের দক্ষতা, মনোভাব ও দায়িত্ববোধকে আরও শক্তিশালী করা। উল্লেখ্য পরবর্তীতে প্রত্যেকটি প্রশিক্ষণার্থী এমসিপির আওতায় ২ জন করে শিক্ষানবীশ থাকবে এবং শিক্ষানবীসগন নির্ধারিত বিষয়ে আগামী ৬ মাস দক্ষতা অর্জন করে দক্ষ মানব সম্পদে রুপান্তর হবে পারবে।
প্রশিক্ষণটিতে ছিল: হাতে-কলমে শেখানো কার্যক্রম, দলভিত্তিক আলোচনা ও উপস্থাপনা, বাস্তব কেস স্টাডি বিশ্লেষণ, অনুশীলন সেশন ও নতুন দৃষ্টিভঙ্গি এবং নতুন আত্মবিশ্বাস।
প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীরা জানান, এই আয়োজন তাদের পেশাগত জ্ঞান ও দক্ষতা যেমন বাড়িয়েছে, তেমনি দিয়েছে আত্মবিশ্বাস ও অনুপ্রেরণা।
একটি প্রশিক্ষণ নয়, একটি প্রতিজ্ঞা:
জাবারাং-এর এই উদ্যোগ শুধু একটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচি নয়, এটি একটি প্রতিজ্ঞা—পাহাড়ি জনপদের তরুণ ও যুবসমাজকে দক্ষ, সচেতন ও মানবসম্পদে রূপান্তর করে সমাজ উন্নয়নের মূলধারায় সম্পৃক্ত করার।
এই কর্মসূচির মাধ্যমে আশা করা হচ্ছে যে, সহায়ক পরিবেশ ও পরিকল্পিত প্রশিক্ষণ থাকলে যেকোনো প্রান্তিক শ্রেণির মানুষই হয়ে উঠবে উন্নয়নের কারিগর।
| ফজর | ৫.৩০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪ টা বিকাল |
| মাগরিব | ৬ টা সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৩০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৪০ মিনিট দুপুর |