হাচান আল মামুন, দীঘিনালা
কার্তিকের পাকা ধানের ম-ম গন্ধে কৃষক সহ প্রকৃতি এখন বেজায় খুশি। আমনের এমন ফলনে ঘরের গোলা ভরতে ব্যস্ত সময় পার করছেন পাহাড়ের স্থানীয় কৃষাণ কৃষাণীরা।
পার্বত্য জেলা খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার মেরুং ইউনিয়নে দেখা গেছে এমন উৎসবমুখর পরিবেশ; যা পাহাড়ে ধান কাটার মৌসুমে বইছে ভিন্নমাত্রা।
সম্প্রতি মেরুং এলাকায় সরজমিনে এক বিস্তীর্ণ মাঠ ঘুরে দেখা যায়, কৃষকরা পাকা ধান কাটতে ব্যস্ত সময় পার করছেন। মাঠের অধিকাংশ ধান ইতোমধ্যে পেকে গেছে, তবে সাম্প্রতিক বৃষ্টিপাতে কিছু ধান মাটিতে লুটিয়ে পড়েছে।
পাহাড়ি কৃষক তুষার চাকমা বলেন, “এবার ধানের ফলন বেশ ভালো হয়েছে। তবে কিছু ধান মাটিতে পড়ে যাওয়ায় সামান্য ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। তবুও ফলনে আমি সন্তুষ্ট।”
ধান কাটতে আসা ঐশী চাকমা জানান, “ধান কাটার মৌসুম শুরু হয়েছে। আমরা প্রায় ১০-১২ জন একসাথে ধান কাটতে এসেছি। এ বছর এই প্রথম ধান কাটছি, ভালোই লাগছে আমাদের।”
এদিকে চাষি মনীষী রায় বলেন, “ফলন আশানুরূপ হয়েছে। যদি বাজারে ধানের দাম ভালো পাই, তাহলে লাভের মুখ দেখব আশা করছি।”
ধানের সোনালি শীষে ভরে উঠেছে দীঘিনালার আশপাশের বিভিন্ন এলাকা সহ মেরুংয়ের মাঠ-ঘাট। কৃষকরা এখন ব্যস্ত নতুন ধান ঘরে তোলার প্রস্তুতিতে। চারপাশে শুধু সোনালী ফসল আর শ্রমের সুর— যেন এক উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়েছে পাহাড়ি জনপদে।
অসময়ের বৃষ্টি যদি আশীর্বাদের বাতাস বয়ে আনে তবেই কৃষক হবে লাভবান এবং পরিশ্রমী মুখে ফুটবে সাফল্যের হাসি বলছেন সংশ্লিষ্ট কৃষি গবেষকেরা।
| ফজর | ৫.৩০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪ টা বিকাল |
| মাগরিব | ৬ টা সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৩০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৪০ মিনিট দুপুর |