খাগড়াছড়ি প্রতিনিধিঃ
খাগড়াছড়িতে তিন দিনব্যাপি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটের উদ্যোগে ত্রিপুরা, চাকমা, মারমা ও সাঁওতাল জনগোষ্ঠীর গীতিকার, সুরকার, কন্ঠশিল্পী ও যন্ত্রশিল্পীদের অংশগ্রহণে মিউজিক ক্যাম্প সম্পন্ন হয়েছে।
এ অনুষ্ঠানে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর সাংস্কৃতিক ইনস্টিটিউটের পরিচালক ঞ্যোহ্লা মং এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা পরিষদের সদস্য নিটোল মনি চাকমা।
এ সময় বাংলা একাডেমি পুরস্কার প্রাপ্ত, লেখক ও গবেষক প্রভাংশু ত্রিপুরা, জেলা তথ্য অফিসার মো. বেলায়েত হোসেন, আলো সংস্থা'র নির্বাহী পরিচালক অরুন কান্তি চাকমা, বিশিষ্ট সংগীত শিল্পী কনক বরণ ত্রিপুরাসহ আরও অনেকে উপস্থিত ছিলেন।
তিনদিন ব্যাপি এ মিউজিক ক্যাম্পে ত্রিপুরা, চাকমা, মারমা ও সাওতাল জনগোষ্ঠীর মোট ৪৬ জন শিল্পী অংশ নিয়েছেন।
জানা গেছে, প্রতিবছরের ন্যায় এবছরও তিন দিনব্যাপি মিউজিক ক্যাম্পের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে সম্প্রীতি ও ভ্রাতৃত্বের বন্ধন সুদৃঢ় করার জন্য এই আয়োজন করা হয়। নবীন ও প্রবীণ শিল্পীদের মিলনমেলা এবং এর মাধ্যমে শিল্পীদের তাল, সুর, কথা ও বাচনভঙ্গি সৃষ্টি সুগম করে গড়ে তোলা, মূলকথা হচ্ছে শিল্পী জগতের সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ের দক্ষ করে তোলাই এই মিউজিক ক্যাম্পের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য। তিন দিনব্যাপি প্রাকৃতিক নিরিবিলি পরিবেশে নতুন সংগীত, নতুন সুর সৃষ্টির মাধ্যমে সবার মাঝে ছড়িয়ে দেওয়াই এ মিউজিক ক্যাম্পের উদ্দেশ্য।
আলোচনা সভা শেষে তিন দিনব্যাপি মিউজিক ক্যাম্পে অংশ নেয়া ত্রিপুরা, চাকমা, মারমা ও সাঁওতাল জনগোষ্ঠীর গীতিকার, সুরকার, কন্ঠশিল্পী ও যন্ত্রশিল্পীদের মাঝে সনদপত্র বিতরণ করা হয়।
পরে চার সম্প্রদায়ের (ত্রিপুরা, চাকমা, মারমা ও সাঁওতাল) শিল্পীরা তাদের নিজস্ব ভাষায় গান পরিবেশনা করেন।
| ফজর | ৫.৩০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪ টা বিকাল |
| মাগরিব | ৬ টা সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৩০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৪০ মিনিট দুপুর |