Logo
| বঙ্গাব্দ

বাঘাইছড়িতে মউশিক শিক্ষক কল্যাণ পরিষদের মানববন্ধন

  • আপডেট টাইম : 23-03-2025 ইং
  • 619279 বার পঠিত
বাঘাইছড়িতে মউশিক শিক্ষক কল্যাণ পরিষদের মানববন্ধন
রিপোর্টারঃ N/A

 স্টাফ রিপোর্টার, বাঘাইছড়ি

রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি উপজেলায় ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রনালয়ের অধীন ইসলামিক ফাউন্ডেশন কর্তৃক পরিচালিত নৈতিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধ উন্নয়নে মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম ৮ম পর্যায় প্রকল্প পাস জনবল রাজস্বকরণ ও আউটসোসিং বাতিলের দাবিতে মানববন্ধন কর্মসূচি পালিত হয়েছে।

রবিবার (২৩ মার্চ) সকাল ১১টায় বাঘাইছড়ি উপজেলা পরিষদ কার্যালয় চত্বরে মউশিক শিক্ষক কল্যাণ পরিষদ বাংলাদেশের উদ্যোগে মানববন্ধন ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বরাবর স্মারক লিপি প্রদান করেন।

বাঘাইছড়ি ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সাধারণ কেয়ারটেকার আব্দুর রহমানের সঞ্চয়নায় সভাপতিত্ব করেন পশ্চিম মুসলিম ব্লক জামে মসজিদের খতিব মাওলানা কবির আহাম্মদ।

মানববন্ধনে অতিথিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সাধারণ সম্পাদক মো. হুমায়ুন রশিদ, চৌমুহনী সদর জামে মসজিদের খতিব মাওলানা আজিজুর রহমান, কাচালং বাজার জামে মসজিদের খতিব মাওলানা হাফেজ কাওছার উদ্দিন নূরীসহ উপজেলার বিভিন্ন মসজিদ, মাদ্রাসা, ইসলামিক ফাউন্ডেশন ও মইশিক শিক্ষক কল্যাণ পরিষদের সকল কর্মকর্তা কর্মচারীগণ।

এসময় বক্তারা নৈতিকতা বা ধর্মীয় মূল্য উন্নয়নে মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা ৮ম পর্যায়ে প্রকল্প অনুমোদন সহ ৫ দফা দাবী তুলে ধরেন। দাবিগুলো হলো-

১। নৈতিকতা ও ধর্মীয় মূল্যবোধ উন্নয়নে মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম প্রকল্প (৮ম পর্যায়) মাহে রমজানের মধ্যে পাস করতে হবে।

২। ঈদুল ফিতরের পূর্বে (বকেয়া) বেতন ও বোনাস পরিশোধ করতে হবে।

৩। শিক্ষকদের গ্রেড ভুক্ত করে স্থায়ীকরণ করতে হবে। কোনোভাবে আউটসোসিং পদ্ধতিতে নেওয়া যাবে না।

৪। শিক্ষক-শিক্ষিকাগণের প্রয়োজনে কেন্দ্র স্থানান্তরের সুযোগ প্রদান করতে হবে।

৫। শিক্ষক-শিক্ষিকাগণ অসুস্থ, অবসর অথবা মৃত্যুবরণ করলে শিক্ষক তহবিল গঠন করে এককালীন অর্থ প্রদান করতে হবে।

এতে বক্তারা আরো বলেন ১৯৯৩ সালে মসজিদ শিশু ও গণশিক্ষা প্রকল্পটি শুরু করে ৭ম পর্যায়ে প্রকল্প ৩১শে ডিসেম্বর ২০২৪ সালে শেষ হলেও মসজিদ ভিত্তিক কেন্দ্রগুলো প্রাক-প্রাথমিক এবং সহজ কোরআন শিক্ষা দেওয়া হয়। তাই কেন্দ্রগুলো এখনো পর্যন্ত চলমান আছে। এই কেন্দ্রগুলোর সাথে সকল মসজিদের ইমামগণ সম্পৃক্ত রয়েছে ইমামরা শিক্ষকতার পাশাপাশি সমাজে বাল্যবিবাহ, সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।

পরিশেষে মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা কার্যক্রম শিক্ষকদের দাবি মেনে নেওয়ার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, যদি দাবী মেনে নেওয়া না হয় তাহলে বৃহত্তর আন্দলোনের ডাক দেওয়া হবে।

আলোচনা শেষে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শিরীন আক্তারের মাধ্যমে উপদেষ্টা বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

এ জাতীয় আরো খবর..
ফেসবুকে আমরা...
নামাজের সময়সূচী
জাতীয় সঙ্গীত
©সকল কিছুর স্বত্বাধিকারঃ পার্বত্য পোস্ট | আমাদের সাইটের কোন বিষয়বস্তু অনুমতি ছাড়া কপি করা দণ্ডনীয় অপরাধ
সকল কারিগরী সহযোগিতায়