রমজান আলী জিসান, লক্ষীছড়ি
খাগড়াছড়ির লক্ষীছড়ি উপজেলার পাঁচ মেধাবী শিক্ষার্থী দেশের অন্যতম বিদ্যাপীঠ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২৫–২৬ শিক্ষাবর্ষে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন। তাদের এই সাফল্যে উপজেলাজুড়ে শিক্ষাঙ্গনে আনন্দের জোয়ার বইছে। পরিবার, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও এলাকাবাসী গর্ব প্রকাশ করেছেন এ অর্জনে।
দীর্ঘদিন শিক্ষা ক্ষেত্রে পিছিয়ে থাকা পাহাড়ি এই জনপদ ধীরে ধীরে এগিয়ে যাচ্ছে। সাম্প্রতিক সময়ে পাঁচ শিক্ষার্থীর বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সাফল্য সেই অগ্রযাত্রাকে আরও শক্তিশালী করেছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির সুযোগ পাওয়া শিক্ষার্থীরা হলেন—মো. মিরাজ হোসেন, কেমি চাকমা, বিটু চাকমা, উসাজাই মারমা ও বিদর্শী চাকমা। তাদের নিজ নিজ মেধা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে এ সাফল্য অর্জন করেছেন।
এর মধ্যে লক্ষীছড়ি সদর উপজেলার বাসিন্দা মো. মাফিজুল ইসলামের ছেলে মো. মিরাজ হোসেন বিশ্ববিদ্যালয়ের সাংবাদিকতা বিভাগে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পেয়েছেন। একই উপজেলার সামিরন চাকমার মেয়ে কেমি চাকমা পালি বিভাগে ভর্তি চান্স পেয়েছেন। বর্মাছড়ি ইউনিয়নের দেবোসুতের ছেলে বিটু চাকমা সমাজবিজ্ঞান বিভাগে সুযোগ পেয়েছেন। এছাড়া উপজেলার দন্ডি পাড়ার উমং মারমার ছেলে উসাজাই মারমা সমাজবিজ্ঞান বিভাগে এবং দেওয়ানপাড়া এলাকার রুপক দেওয়ান সনজীব বরণ-এর মেয়ে বিদর্শী চাকমা বাংলা বিভাগে ভর্তির সুযোগ পেয়েছেন।
স্থানীয় অভিভাবক ও সচেতন মহলের মতে, এই অর্জন শুধু ওই পাঁচ শিক্ষার্থীর নয়, বরং পুরো লক্ষীছড়ি উপজেলার জন্য গর্বের। তাদের এ সাফল্য ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে শিক্ষার প্রতি আরও আগ্রহী করে তুলবে এবং পাহাড়ি অঞ্চলে শিক্ষার প্রসারে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে।
সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেছেন, এই কৃতি শিক্ষার্থীরা ভবিষ্যতে দেশ ও জাতির কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে এবং লক্ষীছড়ির নাম আরও উজ্জ্বল করবে।
এ জাতীয় আরো খবর..