খোকন বিকাশ ত্রিপুরা জ্যাক, খাগড়াছড়ি প্রতিনিধিঃ
“এসো দেশ বদলাই, পৃথিবী বদলাই”—এই প্রেরণাদায়ী স্লোগানকে সামনে রেখে খাগড়াছড়ি জেলা ক্রীড়া অফিসের উদ্যোগে ক্রীড়া পরিদপ্তরের বার্ষিক ক্রীড়া কর্মসূচি ২০২৪-২৫ এর আওতায় আয়োজিত মাসব্যাপী (অ-১৫) ফুটবল প্রশিক্ষণের সমাপনী অনুষ্ঠান, সনদ বিতরণ ও সাবেক ফুটবলারদের সম্মাননা প্রদান এক উৎসবমুখর পরিবেশে সম্পন্ন হয়েছে।
রবিবার (১ জুন) বিকেলে ঐতিহাসিক খাগড়াছড়ি স্টেডিয়ামে আয়োজিত এ আয়োজনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক এ বি এম ইফতেখারুল ইসলাম খন্দকার। সভাপতিত্ব করেন জেলা ক্রীড়া অফিসার হারুন অর-রশিদ।
অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী কিশোর ফুটবলারদের হাতে প্রশিক্ষণ সমাপ্তির সনদপত্র তুলে দেওয়া হয়। এই প্রশিক্ষণ কার্যক্রমে জেলার বিভিন্ন উপজেলা থেকে আগত ১৫ বছরের নিচের শতাধিক খেলোয়াড় অংশ নেয়, যাদের মধ্যে থেকে ভবিষ্যতের সম্ভাবনাময় ফুটবল তারকা খুঁজে বের করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
সমাপনী আয়োজনে জেলার ক্রীড়াঙ্গনে অসামান্য অবদান রাখা সাবেক ফুটবলারদের সম্মাননা স্বারক প্রদান করা হয়। ফুটবলপ্রেমী দর্শক, অভিভাবক, প্রশিক্ষক ও ক্রীড়া সংগঠকদের উচ্ছ্বাসে স্টেডিয়ামজুড়ে ছিল প্রাণের সঞ্চার।
অনুষ্ঠান শেষে জেলা ক্রীড়া সংস্থার এডহক কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। এতে উপস্থিত ছিলেন কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম, জ্যোতিষ বসু ত্রিপুরা, মাদল বডুয়া, আনিসুল আলম আনিকসহ জেলার বিশিষ্ট ক্রীড়া সংগঠক, প্রশিক্ষক ও ক্রীড়াবিদবৃন্দ।
জেলা ক্রীড়া অফিসার হারুন অর-রশিদ বলেন, “এই প্রশিক্ষণ শুধু মাঠে খেলার কৌশল শেখায় না, এটি তরুণ প্রজন্মকে শৃঙ্খলা, নেতৃত্ব ও দলগত চেতনায় উজ্জীবিত করে তোলে। আমরা চাই, খাগড়াছড়ির কিশোররাও জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মঞ্চে সাফল্যের উজ্জ্বল ইতিহাস গড়ুক।”
প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক এ বি এম ইফতেখারুল ইসলাম খন্দকার বলেন, “খাগড়াছড়ি শুধু প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে নয়, ক্রীড়াতেও শক্তিশালী একটি সম্ভাবনাময় জেলা। তরুণদের খেলাধুলার সঙ্গে যুক্ত রাখতে সরকার এবং ক্রীড়া পরিদপ্তরের এমন উদ্যোগ প্রশংসনীয়। আমরা চাই খাগড়াছড়ির প্রতিটি ইউনিয়নের ক্রীড়া কার্যক্রম আরও বিস্তৃত হোক।”
উল্লেখ্য, সারাদেশে চলমান এই ক্রীড়া কর্মসূচির অংশ হিসেবে খাগড়াছড়ি জেলা পর্যায়ের এই আয়োজন যুব সমাজে ইতিবাচক বার্তা ছড়িয়ে দেয়। ফুটবলের মাধ্যমে তরুণদের মাঝে দেশপ্রেম, নেতৃত্বগুণ এবং শারীরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির যে প্রয়াস নেওয়া হয়েছে, তা ভবিষ্যতে জেলার ক্রীড়াঙ্গনের মানচিত্র পাল্টে দিতে সহায়ক হবে বলেই আশাবাদ ব্যক্ত করেন সকলে।
| ফজর | ৫.৩০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪ টা বিকাল |
| মাগরিব | ৬ টা সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৩০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৪০ মিনিট দুপুর |