হাছান আল মামুন, দীঘিনালা
খাগড়াছড়ির দীঘিনালা উপজেলার বোয়ালখালী নতুন বাজারে শনিবার সাপ্তাহিক হাটের দিন। সপ্তাহজুড়ে এই দিনের অপেক্ষায় থাকে পাহাড়ি জনপদের মানুষ। ভোর থেকেই ক্রেতা-বিক্রেতাদের পদচারণায় মুখর হয়ে ওঠে পুরো বাজার। স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত শাকসবজি, ফলমূল, মশলা ও অন্যান্য পণ্যের পাশাপাশি সবচেয়ে বেশি জমে ওঠে মাছের হাট।
সরজমিনে দেখা যায়—দীঘিনালা বোয়ালখালী নতুন বাজারের মাছের সারি ঘিরে ক্রেতাদের উপচে পড়া ভিড়। বিক্রেতারা সাজিয়ে রেখেছেন নানা জাতের মাছ—মাইনি নদীর মাছ, স্থানীয় খাল-বিলের দেশি মাছ, এমনকি বাড়িতে চাষ করা পুকুরের মাছও। তাজা ও সুলভ দামের কারণে ক্রেতাদের আগ্রহ চোখে পড়ার মতো।
স্থানীয় ব্যবসায়ী ও ক্রেতারা জানান, বোয়ালখালী নতুন বাজারের মাছের তাজা স্বাদ ও সুলভ মূল্যই একে বিশেষভাবে জনপ্রিয় করে তুলেছে। প্রতি শনিবার এ বাজার ঘিরে চলে প্রাণবন্ত আড্ডা, দরদাম আর কেনাবেচার উৎসব।
বাজারের মাছ ব্যবসায়ী সোহাগ মিয়া জানান, প্রতি শনিবার আমরা দুই থেকে তিনশ কেজি মাছ নিয়ে আসি। সব মাছই তাজা ও ভালো মানের হওয়ায় ক্রেতারা সন্তুষ্ট থাকেন। আমরা বারৈয়ারহাট থেকে রুই, কাতলা, শিং, ইলিশ ও চিংড়িসহ নানা প্রজাতির মাছ সরবরাহ করি।”
আরেক ব্যবসায়ী আবুল কালাম বলেন, চট্টগ্রাম থেকে আনা মাছের পাশাপাশি আমরা স্থানীয় মাইনি নদীর ছোট মাছ, শৈল মাছ, চাপিলা ও ছোট চিংড়িও বিক্রি করি। ক্রেতারা এসব দেশি মাছ খুব পছন্দ করেন।”
বাজার পরিচালনা কমিটির সাধারণ সম্পাদক আলমগীর হোসেন জানান, বোয়ালখালী মাছ বাজারে কোনো সিন্ডিকেট নেই। বিক্রেতারা স্বল্পমূল্যে মাছ বিক্রি করেন, যাতে সাধারণ মানুষ সহজে কিনতে পারেন। বাজারে প্রতিটি লেনদেন স্বচ্ছভাবে হয়।”
মাছ কিনতে আসা তরুণ হোসেন আলী বলেন, বাজারে স্বল্পমূল্যে ভালো মানের মাছ পাওয়া যায়। তাই আমি প্রায় প্রতি সপ্তাহে তিন কেজি মাছ কিনি।”
মোহাম্মদ রাকিব হোসেন বলেন, এ বাজারে তাজা রুই মাছ পাওয়া যায়। তাই প্রতি শনিবার আমি নিয়মিত এখানে আসি।”
তাজা মাছ, সুলভ দাম আর প্রাণবন্ত পরিবেশ—সব মিলিয়ে দীঘিনালা বোয়ালখালী নতুন বাজার এখন স্থানীয়দের নিকট মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে।
| ফজর | ৫.৩০ মিনিট ভোর |
|---|---|
| যোহর | ১.৩০ মিনিট দুপুর |
| আছর | ৪ টা বিকাল |
| মাগরিব | ৬ টা সন্ধ্যা |
| এশা | ৭.৩০ মিনিট রাত |
| জুম্মা | ১.৪০ মিনিট দুপুর |